
বেনাপোল প্রতিনিধি:
শার্শার শ্যামলাগাছি গ্রামের মামুন হাসান জুয়েল নামে এক যুবককে বে-আইনি ভাবে মারধরের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ৩০ মে রাত সাড়ে ৮ টার সময় বেনাপোল স্থল বন্দরের সামনে মামুন হোসেন এ সংবাদ সম্মেলনে বলেন তিনি একজন ট্যুরিষ্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টাস এর সদস্য। তার পিতা মশিয়ার রহমান শ্যামলা গাছি গ্রামের একজন ব্যবসায়ী।
রাজনগর গ্রামে (০৩ নম্বর ওয়ার্ড) তার পিতার প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা মূল্যের ভিটি বালু রয়েছে। গত ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে শার্শা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল মিন্টু আমার পিতার বালু অবৈধভাবে আটকে রাখেন। পরবর্তীতে নভেম্বর মাসে আমার বাবা বালু বিক্রির উদ্যোগ নিলে, মিন্টুর ঘনিষ্ঠ অনুসারী মুকুল আমার পিতার কাছে ১০ ল টাকা চাঁদা দাবি করে। উক্ত দাবির সপে মিন্টু সাহেব কোনো প্রমাণ বা যৌক্তিক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হন। বিষয়টি সমাধানের জন্য আমার পিতা ও ফুফা উপজেলা বিএনপির নেতাদের শরণাপন্ন হলেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি।
এমতাবস্থায়, গত ২৯ মে, আমি ঈদের ছুটিতে বাড়িতে অবস্থানকালে বেনাপোল গিয়ে একজন একজন উপজেলা নেতাকে বালুর বিষয়টি পুনরায় দেখার অনুরোধ করি। এরপর আমি শ্যামলা গাছি গ্রামে বাড়ি ফেরার পথে মিন্টুর ল' চেম্বারের সামনে মোস্তফা কামাল মিন্টু আমাকে গতিরোধ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি আমাকে টেনে নামিয়ে বেদম মারধর করেন। এসময় তার ভাই পিন্টু, লাল্টু ও টিটনসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা জিআই পাইপ ও বাঁশের লাঠি নিয়ে আমার ওপর হামলা চালায়। এতে আমার পা গুরুতর জখম হয় এবং প্রচুর রক্তরণ হয়। আমাকে বাঁচাতে এসে আমার ফুফা আব্দুল বারিকও সবুজের হামলার শিকার হন। স্থানীয় পুলিশ আমাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।
ভুক্তভোগী সদস্য আরও জানান, স্থানীয়রা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে এবং প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে।
এ বিষয়ে স্থানীয় পর্যায়ে তীব্র ােভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন জুয়েল।